• ২৭ অক্টোবর ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
  • ১১ কার্তিক ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

আইনের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা ও প্রতিরোধই ধর্ষণের মতো ঘৃণ্য ও অপরাধ বন্ধ করতে পারে ——- ওয়ার্কার্স পার্টি

0

 

বাংলাদেশের ওয়াকর্স পার্টির পলিটব্যুরো আজ ১০ অক্টোবরের সাড়ে ১০টায় পার্টির সভাপতি কমরেড রাশেদ খান মেননের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল সভায় গৃহীত প্রস্তাবে সম্প্রতি ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী স্বত:স্ফুর্ত প্রতিবাদকে স্বাগত জানিয়ে বলেছে আইনের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা ও প্রতিরোধই ধর্ষণের মতো ঘৃণ্য ও অপরাধ বন্ধ করতে পারে। ওয়ার্কাস পার্টি এর পাশাপাশি নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গী পরিবর্তনের জন্য সবাইকে বিশেষ করে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসতে আহ্বান জানিয়েছে। ওয়ার্কার্স পার্টির প্রস্তাবে বলা হয়, ধর্ষণ জাতীয় এ ধরনের সকল অপরাধ রাজনীতির দুর্বৃত্তায়নের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সামাজিকভাবে প্রতিরোধে এ সব অপরাধের রাজনৈতিক পৃষ্টপোষকতা বন্ধ করতে হবে। এ ব্যাপারে পরস্পরের বিরুদ্ধে ‘ব্লেইম গেম’ ও ধর্ষণ বিরোধী প্রতিবাদকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার যে অপকৌশল আমরা লক্ষ্য করেছি তাও বন্ধ করতে হবে। এটা স্বস্থির যে দেশের মানুষের প্রতিবাদ-প্রতিরোধের পরিপ্রেক্ষিতে আইনশৃংঙ্খলা বাহিনীর উদ্যোগী হয়ে ব্যবস্থা নিয়েছে এবং সরকারও ধর্ষণ আইনের পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ নিয়েছে। তবে কেবল আইন করে নয়, আইনের প্রয়োগ বিশেষ করে ধর্ষণের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইনের পরিবর্তন এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি আইনের উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারে।
প্রস্তাবে ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদন্ডের বিধান সম্পর্কে বলা হয়, এসিড নিক্ষেপজনিত সময়ে মৃত্যুদন্ডের বিধান রেখে তদ্বিষয়ক আইনের পরিবর্তন ঐ অপরাধ কমাতে সাহায্য করেছে ঠিকই, তবে সে ক্ষেত্রেও মূল ভূমিকা রেখেছে সামাজিক প্রতিরোধ। ধর্ষণের ক্ষেত্রে এই সামাজিক প্রতিরোধের উপরেই পার্টি বিশেষ গুরুত্বআরোপ করছে এবং এ ব্যাপারে মানুষকে সচেতন করতে পরিবার থেকে শুরু করে শিক্ষা ব্যবস্থা, পাঠ্যসূচী, চলাফেরা ও কার্য্যক্ষেত্রে নারীকে সম্মান করা ও তার অধিকার সমুন্নত রাখার বিষয়টি সকল রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় কাজের মধ্যে সামনে আনতে হবে। ওয়ার্কার্স পার্টি এই লক্ষ্যে নিজ সংগঠন ও অন্যান্য সংগঠনে ‘নারী অধিকার মানবাধিকার’ এই দৃষ্টিভঙ্গী প্রতিফলিত করতে উদ্যোগী হবার আহ্বান জানাচ্ছে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড ফজলে হোসেন বাদশা, কমরেড আনিসুর রহমান মল্লিক, কমরেড ড. সুশান্ত দাস, কমরেড মাহমুদুল হাসান মানিক, কমরেড নুর আহমদ বকুল, কমরেড কামরূল আহসান কমরেড আমিনুল ইসলাম গোলাপ, কমরেড অধ্যাপক নজরুল ইসলাম হক্কানী, কমরেড এনামুল হক এমরান।

Share.

Leave A Reply