• ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • ১৪ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

মেনন হত্যাচেষ্টসহ সকল হত্যার বিচার চাই–ওয়ার্কার্স পার্টি ঢাকা মহানগর

0

১৭ আগস্ট মেনন হত্যাচেষ্টার ২৯ তম বার্ষিকী। ১৯৯২ সালের এই দিনে জননেতা কমরেড রাশেদ খান মেনন কে তোপখানারোডস্ত পার্টি কার্যালয়ের সামনে রাতে সন্ত্রাসীরা হত্যার উদ্দেশ্যে গুলিবিদ্ধ করেছিলো। একই সময় বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের সন্ত্রাসীরা ওয়ার্কর্সা পার্টি অসংখ্য নেতাকর্মীকে হত্যা করে।  ওয়ার্কার্স পার্টি এই দিবসটিকে “সন্ত্রাস বিরোধী দিবস” হিসাবে পালন করে আসছে। মেনন হত্যাচেষ্টাসহ সকল হত্যার বিচার করতে হবে। এ ব্যাপারে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করে সকল হত্যা ও হত্যা চেষ্টার উৎস খুঁজে বের করতে হবে।
আজ বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ঢাকা মহানগর কমিটির উদ্যোগে পার্টি কার্যালয় চত্বরে সকাল ১১ টায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড আবুল হোসাইন। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি সাধারণ সম্পাদক জননেতা কমরেড ফজলে হোসেন বাদশা এমপি। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড আব্দুল খালেক, ঢাকা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক কমরেড কিশোর রায় এবং মহানগর নেতা শহীদ রাসেল ব্রিগেড এর প্রধান সমন্বয়ক কমরেড সাদাকাত হোসেন খান বাবুল প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কমরেড ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, আগস্ট মাস আমাদের জাতীয় জীবনে এক গুরুত্বপূর্ণ মাস। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে সহপরিবারে হত্যা করা হয়। ১৯৯২ সালের ১৭ আগস্ট আমাদের পার্টির তৎকালিন সাধারণ সম্পাদক কমরেড রাশেদ খান মেননকে হত্যা চেষ্টা করা হয়। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় গ্রেনেড হামলা করে অনেক নেতাকর্মীকে হতাহত করা হয়। এই সকল মর্মান্তিক ঘটনার পিছনে একাত্তরের পরাজিত শক্তির হাত রয়েছে। জনগণের অনেক দোয়া ও ভালোবাসায় কমরেড রাশেদ খান মেনন মৃত্যুকে পরাস্ত করে জীবনকে জয় করেছেন। তিনি আজ মৃত্যুঞ্জয়ী জননেতায় পরিণত হয়েছেন। আমরা তার সুস্থ দীর্ঘ জীবন কামনা করি।
কমরেড ফজলে হোসেন বাদশা আরো বলেন, সম্প্রতি দক্ষিণ এশিয়ার দেশ আফগানিস্তানে তালেবানরা ক্ষমতা দখল করেছে। তালেবানদের ক্ষমতা দখলের পেছনে মার্কিন স¤্রাজ্যবাদসহ পশ্চিমা দুনিয়ার প্রকাশ্য অপ্রকাশ্য সমর্থন ছিলো। তালেবানদের ক্ষমতা দখলের পেছনে আফগানিস্তানের জনগণের কোন অংশ গ্রহণ ছিলনা। মার্কিন স¤্রাজ্যবাদ দুনিয়ার দেশে দেশে যুদ্ধের ধামামা বাজিয়ে সংশ্লিষ্ট দেশের বারোটা বাজিয়ে তারা পশ্চাৎ গমন করেন। আর এর ক্ষতির শিকার হন দেশের সাধারণ মানুষ। আফগানিস্তানে তালেবানদের ক্ষমতা দখলের ব্যাপারে ওয়ার্কার্স পার্টি সহ বাংলাদেশের সকল গণতান্ত্রিক শক্তিকে সতর্ক থাকতে হবে। যাতে করে বাংলাদেশে কোন সাম্প্রদায়িক কিংবা জঙ্গি শক্তির উত্থান না ঘটে সেব্যাপারে সরকারকেও সতর্ক থকাতে হবে।

Share.