শ্রমিকশ্রেণীর মুক্তির লড়াইয়ে মে দিবস অনুপ্রেরনার স্থল—-নুর আহমদ বকুল

0
মহান মে দিবস শ্রমিকদের রক্তের ইতিহাসে লেখা একটা দিন। শ্রমের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা অধিকার স্বীকৃতির লড়াই সৃষ্টি হয়েছিল এই দিনে। লড়াই এখনও চলমান। পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় শ্রমিক শ্রেণীর মানবিক মর্যাদা এখনও প্রতিষ্ঠিত নয়। পুঁজিবাদী নতুন নতুন উদ্ভাবন যেমন চলছে তেমনি নতুন কৌশলে শ্রমশোষণও চলছে। বিশ্বের শ্রমজীবি নীপিড়িত মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে মানব মুক্তির লড়াইকে এগিয়ে নিতে না পারলে শ্রমিক শ্রেণীর রাজনৈতিক অর্থনৈতিক মুক্তি আসবে না। বাংলাদেশে অপ্রচলিত খাত থেকে শুরু করে কল কারখানায় নির্মম শ্রমশোষণ চলছে। নূন্যতম মজুরী নির্ধারিত নয়। লুটেরা মালিকশ্রেণী শ্রমিক স্বার্থকে কখনই রক্ষা করে না। বাংলাদেশে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ নতুন করে দখল নিয়েছে। তাদের নতুন ব্যবস্থাপনায় ‘নন ডিসক্লোজ চুক্তির’ অধিনে বাংলাদেশ শ্রমিক শ্রেণীসহ সকল স্তরের মানুষের জনজীবনের সংকট বাড়বে। রাষ্ট্র ক্রমশ স্বরাচারী হবে। আজকের মে দিবসে সাম্রাজ্যবাদ ও তাদের দোসর জঙ্গীবাদী মৌলবাদী শক্তিকে প্রতিহত করার দায়িত্ব নিতে হবে এদেশের শ্রমজীবি মানুষকে। আজ ১লা মে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির উদ্যোগে মে দিবসের র্যালির প্রাক্কালে পার্টির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পদক উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন। সভার সভাপতি কমরেড মাহমুদুল হাসান মানিক বলেন, শ্রমজীবি মানুষের লড়াইয়ের নেতা ওয়ার্কার্স পার্টি সভাপতি রাশেদ খান মেনন এর মিথ্যা মামলায় বিনা বিচারে আটকে রেখেছে সাম্রাজ্যবাদ মৌলবাদী শক্তি। কমরেড রাশেদ খান মেননের মুক্তির দাবীতে আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানানো হয়। বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য অধ্যাপক সুশান্ত কুমার দাস বলেন, বাংলাদেশে প্রগতিশীল বাম আন্দোলনকে পুন:সংগঠিত করতে হবে। তবে ওয়ার্কার্স পার্টির নিজস্ব শক্তির বিকাশের কাজটিকে প্রধান হিসেবে দেখতে হবে।’
 ্যালির শুরুতেই গণসংগীত পরিবেশন করেন নারীনেত্রী নাসরিন খান লিপি, মনিকা ম-লসহ গণশিল্পির শিল্পী বৃন্দ।
পার্টি আফিসের সম্মুখ থেকে বর্ণাঢ্য র্যালি তোপখানা রোড, পুরানো পল্টন থেকে জিরো পয়েন্ট হয়ে পুনরায় পার্টি অফিসে এসে শেষ হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কমরেড মাহমুদুল হাসান মানিক, অধ্যাপক কমরেড সুশান্ত দাস, কমরেড নজরুল হক নীলু, কমরেড আলী আহমদ এনামুল হক এমরান সহ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ।
Share.