প্রতিশোধের রাজনীতির লক্ষে সাম্রাজ্যবাদী দক্ষিণপন্থী শক্তি রাশেদ খান মেননকে হত্যা করতে না পারলেও কারাগারে বন্দী করেছে —— ওয়ার্কার্স পার্টি

0

“১৯৯২ সালে ১৭ আগস্ট বিএনপি সরকারের আমলে জননেতা রাশেদ খান মেনন দক্ষিণপন্থী সাম্প্রদায়িক শক্তির হাতে গুলিবিদ্ধ হন, প্রতিক্রিয়াশীল ঐ শক্তি জননেতা রাশেদ খান মেননের জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দিতে চেয়েছিলো। আজ ১৭ আগস্ট সেই হত্যা প্রচেষ্টার ৩৪তম বার্ষিকী।
সে দিনের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির উপর রাষ্ট্রের বিশেষ মহলের সহযোগিতায় নেমে এসেছিলো চরম ফ্যাসিবাদী আক্রমন। দেশের দক্ষিণপশ্চিম অঞ্চলে গোপন সন্ত্রাসীদের হাতে চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর অঞ্চলে খুন হয়েছিলেন কৃষক নেতা হায়দার, মোখলেস, উজির, সোহরাব, কুলবিলা গুচ্ছ গ্রামের ৮জন খেতমজুর, ঝিনাইদহের মন্টু মাস্টার, নাটোর লালপুরে আখচাষী নেতা আব্দুস সালাম প্রমুখ।
দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও জননেতা রাশেদ খান মেননসহ ঐ সকল হত্যাকান্ডের কোন বিচারই সুসম্পন্ন হয়নি।
জননেতা রাশেদ খান মেনন এদেশে মুক্তিযুদ্ধের যেমন সংগঠক, তেমনি মওলানা ভাসানীর উত্তরাধিকার বামপন্থী আন্দোলনের জননন্দিত নেতা। সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী শক্তি সাম্প্রদায়িক শক্তি রাশেদ খান মেননের পথ চলা বার বার থামাতে চেয়েছে, গরীব মেহনতী মানুষের সোচ্চার কন্ঠ মেনন সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে বার বার রুখে দাঁড়িয়েছেন। এদেশের ’৭২ এর সংবিধান তথা রাষ্ট্রীয় মুলনীতি রক্ষার লড়াকু নেতা এখনও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। ৫ আগস্ট পরবর্তীতে রাজনীতির ষড়যন্ত্রে রাশেদ খান মেননকে দু’ বছরের অধিক সময়ে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে মিথ্যা হত্যা মামলা দিয়ে। সাম্রাজ্যবাদী মৌলবাদী শক্তি ’৯২ সনে তাকে হত্যা করতে না পারলেও এখন যড়যন্ত্র করে কারাগারে আটকে রেখেছে। ঐ অপশক্তি সকল যড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হবে। অসাম্প্রদায়িক গণতান্তিক রাজনীতি এগিয়ে নিতে রাশেদ খান মেননের বিকল্প নাই। অবিলম্বে সকল মামলা প্রত্যাহার করে তাকে মুক্তি দিতে হবে। দেশের ক্রান্তিকালে মুক্তিযুদ্ধে পক্ষের সকল রাজনৈতিক সামাজিক গণতান্ত্রিক মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সাম্রাজ্যবাদ মৌবাদ বিরোধী সংগ্রাম কে বেগবান করতে হবে।”
আজ ১৭ আগস্ট ওয়ার্কার্স পার্টি সভাপতি রাশেদ খান মেনন হত্যা প্রচেষ্টার ৩৪ তম বার্ষিকীতে “সন্ত্রাস প্রতিরোধ” দিবসে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল মিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় পার্টির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুর আহমেদ বকুল উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন। ৩০ তোপখানা রোড পার্টি অফিস প্রাঙ্গণে মিছিল পূর্ব সমবেশের ঐ সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জননেতা মাহমুদুল হাসান মানিক।  বক্তৃতা পর্ব শেষে মাহমুদুল হাসান মানিকের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সহযোগে এক বিক্ষোভ মিছিল পল্টন, প্রেসক্লাব, কদম ফোয়ারা ঘুরে পার্টি অফিসে এসে মিছিলটি সমাপ্ত হয়।

Share.