“বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৪ বছর অতিক্রম হলেও এদেশে সার্বজনীন বৈষম্যহীন অসম্প্রদাযিক গণমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয় নি। যখনই সরকার বদল হয়েছে তখনই শিক্ষা ব্যবস্থা ও শিক্ষানীতি নিয়ে এধরণের পরীক্ষাগার বানানো হয়েছে। এর ফলাফল হচ্ছে একটি সমন্বিত ধারাবাহিক জাতিগঠনের কোন শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে উঠেনি। সাম্রাজ্যবাদী অর্থনীতি নির্ভর বিশ্বব্যাংক আইএমএফ নির্দেশিত ফর্মুলা এবং প্রতিক্রিয়াশীল শাসক গোষ্ঠীর সামরিক বেসামরিক আমলাদের সহযোগী আমলাদের সহযোগী মৌলবাদী রাজনৈতিক শক্তি শিক্ষা ব্যাবস্থাকে মৌলবাদী করণ করে ফেলেছে। ধর্মকে রাজনীতিকরণ করে দেশকে পাকিস্তানী ধারায় ফেরানোর অপচেষ্টা চলছে। এই অপচেষ্টা রুখে দিতে হবে।
বাংলাদেশে একটি নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসলেও এখন পর্যন্ত সমাজে শৃঙ্খলা ফেরে নাই। গ্যাস, বিদ্যুৎ সংকট, খাদ্য দ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণহীন অবস্থায় চলছে। মুদ্রাস্ফীতি বেড়েই চলেছে। আয় বৈষম্য বাড়ছে। দুর্নীতি ঘুষ, চাঁদাবাজি বন্ধ হয় নি।
মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের সঙ্গে চুক্তি, সৌদি আরবের নেতৃত্বে নৌযুদ্ধ জোটে বাংলাদেশের যোগদান এই সকল কিছুই জনগণের বিরুদ্ধে শাসক গোষ্ঠীর অবস্থান। ছাত্র সমাজকে সংগঠিত করে সাম্রাজ্যবাদ- মৌলবাদ বিরোধী সংগ্রাম বেগবান করতে হবে।”
বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর ২২তম কাউন্সিলে প্রধান অতিথির বক্তাতায় ‘৯০ এর গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুর আহমদ বকুল উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন।
ঢাকাস্থ ফেনী সমিতি মিলনায়তনে আজ ০৭ আগস্ট ২০২৬, কাউন্সিল অধিবেশনের ১ম পর্বে ছাত্র মৈত্রী সভাপতি অতুলন দাস আলোর সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন- ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক তানভীন আহমেদ, ছাত্র নেতা ইমরান নুর নিরব, ছাত্র মৈত্রী প্রাক্তন সভাপতি ফারুক আহমেদ রুবেল। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জাসদ ছাত্রলীগ নেতা মোহম্মদ গোলাম কিবরিয়া। যুব মৈত্রী সভাপতি তেীহিদুর রহমান, ঢাকা নগর দক্ষিণে আহবায়ক কিশোর রায়, ঢাকা নগর উত্তরের আহবায়ক, সাদাকাত হোসেন খান বাবুলসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
কাউন্সিলে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি প্রাক্তন ডাকসু নেতা, পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্র ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা জননেতা রাশেদ খান মেননের মুক্তি ও ছাত্র মৈত্রীর প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি জননেতা ফজলে হোসেন বাদশার মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী করা হয়।
বৈষম্যহীন অসাম্প্রদায়িক গণমুখী শিক্ষা ব্যবস্থার লড়াইকে এগিয়ে নিতে হবে —– নুর আহমদ বকুল
0
Share.